চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আয়তন কত

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আয়তন কত।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আয়তন কত:-

মোট ১,৭৪৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অবস্থান বাংলাদেশের মানচিত্রে সর্ব পশ্চিমে। এর উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে রাজশাহী জেলা ও নওগাঁ জেলা। এটি ভৌগোলিকভাবে ২৪°২২′ হতে ২৪°৫৭′ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৭°৫৫′ হতে ৮৮°২৩′ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আয়তন কত
ছোট সোনা মসজিদ – চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনো নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। ভারত উপমহাদেশ বিভাগের আগে এটি মালদহ জেলার একটি অংশ ছিল। ১৯৪৭ সালে এটি মালদহ থেকে আলাদা হয়ে পূর্ব পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং রাজশাহী জেলার একটি মহাকুমা হিসেবে গন্য হয়।

১৯৮৪ সালে একটি একক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। অনেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কে ‘আমের শহর’ বা ‘আমের দেশ’ বলেও জানে। এই জেলায় বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত আমের একটি বড় অংশ উৎপাদিত হয় যার ফলে একে ‘Capital of Mango’বলা হয় এবং উৎপাদিত এই আমগুলো হয়ে থাকে খুবই সুস্বাদু যার কারনে একে ‘City Of Mango’ বা ‘আমের শহর’ বলা হয়।

 

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুসারে নবাবগঞ্জ এবং তার পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ, নাচোল, ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর থানাকে মালদহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব পাকিস্তানের রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। শাসন ব্যবস্থার সুবিধার্থে ১৯৪৮ সালের ১ নভেম্বর রাজশাহী জেলার একটি থানা ও দিনাজপুরের অন্তর্ভুক্ত পোরশা থানাসহ একটি নতুন মহকুমার সৃষ্টি হয় এবং নবাবগঞ্জ শহরে মহকুমা সদর দপ্তর স্থাপিত হয় । এই নতুন মহকুমার নাম রাখা হয় ‘নবাবগঞ্জ’।

১৯৮২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রশাসনকে জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে থানাগুলোকে উপজেলা এবং মহকুমাকে জেলায় রূপান্তরিত করেন। এই পদক্ষেপের কারণে নবাবগঞ্জের ৫টি থানা শিবগঞ্জ, নাচোল, ভোলাহাট, গোমস্তাপুর ও নবাবগঞ্জ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ নবাবগঞ্জ মহকুমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ঘোষণা করা হয়।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আয়তন কত
বাবুডাইং – চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা

Leave a Comment