খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ই এপ্রিল ২০২৩, ১১:১৫ পিএম
বজ্রপাতে দুই কৃষকসহ চারজনের মৃত্য তিন জেলায়,যশোর, সাতক্ষীরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় কালবৈশাখীর সময় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ও বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

যশোরের শার্শায় আজিজুল ইসলাম (৩২) নামের এক কৃষক, সাতক্ষীরা সদরে আবদুল্লাহ মোল্যা (৩৮) নামের আরেক কৃষক এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে শাহিন (১২) ও ওয়াশিম (১৩) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া শিবগঞ্জে নয়ন (১৩) ও সারোয়ার (১৪) নামের আরও দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচ কায়বা গ্রামের গোমর বিলে ধান তোলার সময় বিকেলে বজ্রপাতে কৃষক আজিজুল মারা যান। তিনি ওই গ্রামের কামাল উদ্দীন সরদারের ছেলে।
বিকেলে ঝড়–বৃষ্টি শুরু হলে কৃষক আজিজুল ইসলাম দুজনকে নিয়ে বাড়ির পাশে বিলে কেটে রাখা ধান গোছাতে যান। বিকেল চারটার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হয়। এতে আজিজুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সহযোগীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে আনার আগেই আজিজুলের মৃত্যু হয়। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাতক্ষীরায় বিকেল পাঁচটার দিকে ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে কৃষক আবদুল্লাহ মোল্যা নিহত হন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের কৃষক আবদুল্লাহ বাড়ির পাশে মাঠে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ ঝড়–বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। বাড়ির সামনে এলে বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় আমবাগানে আম মোড়কজাত করার সময় বজ্রপাতে দুই কিশোরের মৃত্যু ও দুই কিশোর আহত হয়। দুপুরে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শরৎনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দুজনের মধ্যে শাহিন শ্যামপুরের গোপালনগর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। আর ওয়াশিম শ্যামপুর শরৎনগর গ্রামের হারুন আলীর ছেলে। আহত দুজনও একই এলাকার বাসিন্দা।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)বলেন, বেলা দুইটার দিকে শ্যামপুর ইউনিয়নের শরৎনগর গ্রামের একটি বাগানে বজ্রপাতে দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিয়মানুযায়ী হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্তব্য